Popular posts

Monday, 24 October 2016

বজ্রপাত এর কথা the thender

বজ্রপাত সম্পর্কে কিছু তথ্য বজ্রপাত এমন একটি বিষয় যা সম্পর্কে বিজ্ঞান খুব বেশি তথ্য দিতে পারেনি।আসলে এটি খুব কঠিন একটি কাজ বজ্রপাত ব্যাখ্যা করা।তবুও বিজ্ঞানীরা কিছু তথ্য দিয়েছে।সেই আলোকে আমি এখন আপনাদের সামনে কিছু তথ্য তুলে ধরছি। তাপামাত্রাঃ ==> ৪০,০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। গতিবেগঃ ==> ঘণ্টায় প্রায় ২,২০,০০০ কিলোমিটার। দৈর্ঘ্যঃ ==> ১০০ মিটার – ৮ কিলোমিটার। ব্যাসার্ধঃ ==> ১০-২৫০ মিলিমিটার। বিদ্যুৎ প্রবাহঃ ==> ১০ কিলো – ১ কোটি ভোল্ট। স্থায়িত্বঃ ==> ১-২ মাইক্রো সেকেন্ড।

Friday, 21 October 2016

হোমোপেথি or homophythi

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণকালীন আপনার করনীয়

আপনার করনীয়:

১. খালি পেটে ঔষধ সেবন করবেন। ঔষধ সেবনের আগে ১ ঘণ্টার মধ্যে ও সেবনের পরে আধা ঘন্টার মধ্যে কিছু খাবেন না। 
২. আপনার সহ্য হয় এমন পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাদ্য খাবেন। 
৩. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় সময় আহার করবেন ও নিদ্রায় যাবেন। 
৪. দৈনিক কমপক্ষে ৬ ঘন্টা ঘুমাবেন। 
৫. দৈনিক প্রচুর শীতল পানি পান করবেন (৪ থেকে ৫ লিটার)। 
৬. নির্দোষ বিনোদন ও খেলাধুলায় অংশ নিতে পারেন। 
৭. প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় কমপক্ষে ১ ঘন্টা খোলা বাতাসে হাঁটবেন। সাধ্যমত শারীরিক পরিশ্রম করবেন। 
৮. সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকবেন ও মনকে প্রফুল্ল রাখার চেষ্টা করবেন। 
৯. মন থেকে সকল প্রকার কুচিন্তা বাদ দিয়ে ধর্মীয় জীবন-যাপনের চেষ্টা করবেন।

। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণকালীন যা করা নিষেধ:

১. ঔষধ সেবনের আগে ১ ঘণ্টার মধ্যে ও সেবনের পরে আধা ঘন্টার মধ্যে কিছু খাবেন না। 
২. ঔষধ খাওয়ার পরে ১ ঘণ্টার মধ্যে কোন প্রকার কষ্টকর শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম করবেন না। 
৩. কোন প্রকার সুগন্ধি দ্রব্য, দাঁতের মাজন বা পেষ্ট ব্যবহার করবেন না। 
৪. টক ও টকজাতীয় দ্রব্য, নোনা মাছ, মদ, চা, কফি, তামাকসহ সকল উত্তেজক দ্রব্য এবং যে সব খাদ্য খেলে আপনার রোগ বাড়ে তা খাবেন না। 
৫. কুরুচিপূর্ণ বই-পুস্তক পাঠ ও কামোদ্দীপক আলাপ আলোচনা করবেন না। 
৬. অতিরিক্ত শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম করবেন না। অযথা উত্তেজিত হবেন না।

ক্রেডিটঃ মোখলেস, http://www.mokhlesbd.com/treatment/help.php

Friday, 26 August 2016

The truth of jin and magic or জিন বা জাদুর কিছু কথা.

If anybody not see this post in your language. So please you translet by Google translate.

এই বিষয় পড়ার শুরুতে বলে রাখছি,

যে  ধৈর্য ধরে আমার লেখা পড়ুন বা

অন্য যারটাই পড়ুন. ধৈর্য সহকারে

পড়লে  অনেক কিছু জানতে ও

শিখতে পারবেন.

    বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

Lets come to the point.
 
জিন কি ?

আসলে  আমাদের মধ্যে যারা

মুসলমান. তাদের মধ্যে   কম বেশি

সবাই এই সম্পর্কে  জানে, তাও বলছি

যে জিন কিসের তৈরি.

জিন আগুনের তৈরি , তারা যে কোন

আকার নিতে পারে যেমন:

হাতি,মানুষ,ইত্যাদি. এছাড়া জিনদের

কিছু আলাদা শক্তি আছে যেমন:

হাওয়ায় ভেসে বেড়ানো,নিমিষেই

যেকোন স্থানে যাওয়া,হাজার

মানুষের কাজ একলাই করা,ইত্যাদি.

বিশেষ দ্রষ্টব: হযরত মুহাম্মদ (স:) এর রূপ বাদে.

জিন চেনার উপায়:

আসলে এই দুনিয়া ভরা রহস্য. তাই

এই কম সময়ে সব বিষয়ের রহস্য ভেদ

করা সম্ভব নয়. কিন্তুু  সব বিষয় জানা

সম্ভব. চলুন তাই করি. প্রথমে

আপনাদের একটা রহস্যময় মন্ত দিই,

মন্তটি হলো:
       
               জিন দেখার মন্ত

           আলিফ লাম মিম ইয়াছিন
                ইয়া নুরু ইয়া বাতিনু
      দোহাই হলাহি জিন ইনছান মানব
              দানব দেও দৈত্য দানা.
        স্বচক্ষে দেখাও মোরে বিহাক্কে  
              হযরত নবী শাফিয়ানা.
             ইয়া জাহিরু ইয়া বাতিনু .

বিধি: 1 দিন পড়ে সিদ্ধ করা লাগবে.

আসলে সাধনে আজকের যুগে আমরা

কি করি , আগের কালের মানুষরা  তার

জিবনে পার করে দিত শুধু   একটি

বিষয় জানার জন্য.  তাই আমরা শুধু

মন্ত ও তন্ত্র জানলে হবে না.  আসলে

বিষয় মনে বিশ্বাস থাকতে হবে ও

নিজের কাজের প্রতি  বিশ্বাস থাকতে

হবে তাহলেই তাতে সফলতা পাওয়া

যায়.  কারন বিশ্বাস থাকলে সব সম্ভব.

আমরা জিন দেখিনা তারপরও বিশ্বাস

করি এর ফলে আমরা  নতুন বিষয় দিন

দিন খুজেঁ  বের করি  , কারন বিশ্বাস

আছি..

আপাদত এই মন্ত পড়ি পড়ের. পোস্টে

যা থাকবে তা হলো:

1) জিন এর বংশ বিস্তার

2) জিন খায় কি

3) জিনের বয়স কত.

আপনেরা পড়ে বেশি লাইক ও কমেন্ট

করবেন তাহলে আমি বুঝতে পারব

আাপনেরা খুশি.