Popular posts

Thursday, 30 November 2017

গুগল আর্থ-এ অদৃশ্যমান স্থানের সন্ধান

বাস্তবিক এমন অনেক স্থান রয়েছে যা গুগল আর্থ উপস্থান করতে অক্ষম ৷ গুগল আর্থ এই অক্ষমতার পিছনে মূলত কি কারন রয়েছে, সে ব্যাপারে টি সকলেরই অজানা ৷ আজ এমনই কিছু স্থানের ব্যাপারে বিস্তারিত ধারনা দিবো আপনাদের ৷

১. নারসার্সুক, গ্রিনল্যান্ড

একটি আণবিক অস্ত্রবাহী বিমান এই স্থানটির কাছেই উত্তর সমুদ্রে ভেঙে পড়ে। এরফলে পরবর্তীতে পুরো এলাকাটি প্লুটোনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তায় দুষ্ট হয়ে পড়ে বলে জানা যায়। ১৯৬৮ সালে মেরুবলয়ের এই জায়গাটি সংবাদশীর্ষে উঠে আসে ৷ গুগুল আর্থ-এ জায়গাটিকে কোন ভাবেই সুস্পষ্ট ভাবে দেখা যায় না ৷

২.রসওয়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 

নিউ মেক্সিকোর এই জায়গাটির খ্যাতি ‘ইউএফও’ সাইট হিসেবে। এক সময় মানুষের কৌতূহল ফেটে পড়েছিল এখানে ইউএফও দেখতে পাওয়ার সংবাদে। কিন্তু এই জায়গাটির আরও একটি ইতিহাস রয়েছে। ১৯৪৭ সালে মার্কিন বিমান বাহিনীর এক গুপ্তচর বেলুন এখানে ভেঙে পড়েছিল। পরে ইউএফও-র গুজব ছড়িয়ে ব্যাপারটাকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলে বলে জানা যায়। ১৯৭০ দিকে ইউএফও-র গুজব তুঙ্গে ওঠে। কোন এক অজানা কারনে এই জায়াগটির ডিটেলও গুগল আর্থ-এ অলভ্য।

৩.গেথসেমানে বাগান, জেরুসালেম, ইজরায়েল

খ্রিস্টীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই বাগানে যিশু তাঁর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার আগের রাত্রিটি কাটিয়েছিলেন। কিংবদন্তি রয়েছে মা মেরিকে প্রথমে এই বাগানেই সমাহিত করা হয়েছিল ৷ বর্তমানে এই বাগান এক পবিত্র খ্রিস্টীয় তীর্থ। গুগল আর্থ-এ এই স্থানটি কোনও অজ্ঞাত কারণে অস্পষ্ট দেখা যায় ৷

৪.অ্যান্থ্রাক্স দ্বীপ, স্কটল্যান্ড

মাত্র এক মাইল দৈর্ধ্যের এই ডিম্বাকৃতি দ্বীপটির চেহারা গুগল আর্থ কোনভাবেই সুস্পষ্ট ভাবে দেখাতে পারে না। গ্রুইনার্ড উপসাগরের এই দ্বীপটি বহুকাল ধরেই মানুষ কর্তৃক বর্জিত । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা এখানে অ্যান্থ্রাক্স বোমা পরীক্ষা করতেন বলেই এই দ্বীপ বাসযোগ্যতা হারায়। ঠিক কী কারণে গুগল আর্থ এই দ্বীপের গহীনে প্রবেশ করতে পারে না, তা এখনও রহস্য ৷



source : Tip Top Tips


https://mbasic.facebook.com/Tip-Top-Tips-331809883953350/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C6122756625

ফ্যানটম ভাইব্রেশান সিন্ড্রোম – ভুতুড়ে ফোনের আওয়াজ!

আপনার কি কখনও ভুলবশত মনে হয়েছে পকেটে থাকা ফোনটি বাজছে অথবা ভাইব্রেশন হচ্ছে ? তাহলে আপনি ফ্যানটম ভাইব্রেশান সিন্ড্রোম (Phantom vibration syndrome) বা ফ্যানটম রিঙ্গিং (Phantom ringing)  অনূভব করেছেন যার অর্থ ভুতুড়ে ভাইব্রেশান বা রিঙ্গিং এর লক্ষন ৷

ফ্যানটম ভাইব্রেশান সিন্ড্রোম ( Phantom vibration syndrome) বা ফ্যানটম রিঙ্গিং (Phantom ringing syndrome)  হলও ভুলবশত ফোন ভাইব্রেট করছে অথবা বাজছে এমনটা অনুভূত হওয়া ৷ ড. মাইকেল রথবার্গ মতে এটা কোন উপসর্গ নয়, কিন্তু চারিত্রিক দিক বিবেচনা করে এটাকে এক ধরণের বিভ্রম বলা যেতে পারে ৷

ফ্যানটম রিঙ্গিং মূলত গোসল করার সময়, টেলিভিশন দেখার মূহূর্তে অথবা উচ্চশব্দ যুক্ত যন্ত্র ব্যবহারের সময় অনূভব হয়ে থাকে ৷ মানুষ সাধারণত ১০০০-৬০০০ হার্টজ শব্দের মধ্যে ভালো প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং বেসিক ফোনগুলার সাউন্ড এই রেঞ্জের মধ্যেই পড়ে।সেল ফোন ব্যবহার শুরুর পর ভাইব্রেট অ্যালার্টের সুবিধা আনার জন্য ফ্যান্টম ভাইব্রেশন ডেভেলপ করে। রিসার্চার মাইকেল ড্রউন লক্ষ করেন যে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ছাত্রদের প্রতি ১০ জনের ৯ জন ফ্যান্টম ভাইব্রেশনে অভ্যস্ত ৷

Monday, 31 October 2016

The history of Homophythi

ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান হোমিও চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক ডা. হ্যানিম্যান রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত অসুস্থ মানুষের মর্মান্তিক বেদনাকে যিনি নিজের হৃদয় দিয়ে সবচেয়ে বেশী উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন, তাঁর নাম স্যামুয়েল হ্যানিম্যান। প্রচলিত চিকিৎসা বিজ্ঞানসমূহের ইতিহাস নিয়ে যারা ব্যাপক পড়াশুনা করেছেন, তারা সকলেই এক বাক্যে স্বীকার করেন যে, তিনি ছিঁলেন পৃথিবীতে আজ পযর্ন্ত জন্ম নেওয়া সর্বশ্রেষ্ট চিকিৎসা বিজ্ঞানী। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের আবিষ্কারক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান কেবল একজন শ্রেষ্ট চিকিৎসা বিজ্ঞানীই ছিলেন না; একই সাথে তিনি ছিলেন মানব দরদী একজন বিশাল হৃদয়ের মানুষ, একজন মহাপুরুষ, একজন শ্রেষ্ট কেমিষ্ট, একজন পরমাণু বিজ্ঞানী, একজন শ্রেষ্ট চিকিৎসক, একজন অণুজীব বিজ্ঞানী, একজন শ্রেষ্ট ফার্মাসিষ্ট, একজন সংস্কারক, একজন বহুভাষাবিদ, একজন দুঃসাহসী সংগঠক, একজন অসাধারণ অনুবাদক, একজন নেতৃপুরুষ, একজন বিদগ্ধ লেখক, একজন সত্যিকারের ধার্মিক ব্যক্তি, একজন পরোপকারী-ত্যাগী মানব, একজন সুযোগ্য শিক্ষক, একজন আদর্শ পিতা, একজন রোমান্টিক প্রেমিক। আজ থেকে দুশ বছর পূর্বে হ্যানিম্যানের সময় এলোপ্যাথিক চিকিৎসা ছিল চরম বর্বরতার সমতুল্য। তখনকার দিনের এলোপ্যাথিক ডাক্তাররা উচ্চ রক্তচাপসহ অধিকাংশ রোগের চিকিৎসার জন্যই রোগীর শরীরে অনেকগুলো জোঁক লাগিয়ে দিতো রক্ত কমানোর জন্য অথবা রগ কেটে রক্ত বের করত, মানসিক রোগীকে ভুতে ধরেছে মনে করে পিটিয়ে লাশ বানিয়ে ফেলত, একটি রোগের জন্য ক্ষেত্র বিশেষে পনের থেকে বিশটি ঔষধ রোগীকে একত্রে খাওয়ানো হতো, সামান্য থেকে সামান্য ব্যাপারেও শরীরে ছুরি চালানো হতো ইত্যাদি ইত্যাদি। হ্যানিম্যান কিন্তু অন্যান্য ডাক্তারদের মতো ডাক্তারী পাশ করে অর্থ উপার্জনের পেছনে লেগে যান নাই; বরং চিকিৎসার নামে এসব বর্বরতা থেকে মানবজাতিকে কিভাবে মুক্ত করা যায় তা নিয়ে যুগের পর যুগ গবেষণা করেছেন। এজন্য তাকে অভাব-অনটন, দুঃখ-কষ্ট, অপমান-লাঞ্ছনা, হুমকি-ধামকি, দেশ থেকে বহিষ্কার প্রভৃতি অনেক অনেক ভোগানি- সহ্য করতে হয়েছে কিন্তু তারপরও তিনি পিছপা হননি। ফলে রোগের উৎপত্তি, রোগের বিকাশ, রোগের চিকিৎসা, ঔষধ আবিষ্কার, ঔষধ পরীক্ষাকরণ, ঔষধ প্রস'ত প্রণালী, ঔষধের ব্যবহার ইত্যাদি বিষয়ে তিনি এমন অনেকগুলো বৈজ্ঞানিক সূত্র আবিষ্কার করতে সক্ষম হন ; গত দুইশ বছরেও যার চাই উৎকৃষ্ট কিছু আবিষ্কার করা কোন চিকিৎসা বিজ্ঞানীর পক্ষে সম্ভব হয় নাই। তিনি এমন একটি চিকিৎসা বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছিলেন যাতে বাদশা থেকে ভিক্ষুক কাউকেই টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় মরতে না হয়। ডাক্তারদের মধ্যে পেশাগত অহমিকা, লোভ, হিংসা ইত্যাদি যে কত বেশী মাত্রায় আছে, তার প্রমাণ হলো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের আবিষ্কার। রোগীকে কম কষ্ট দিয়ে, কম খরচে এবং কম সময়ের মধ্যে রোগ নিরাময়ের স্বার্থে চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই অমূল্য আবিষ্কারকে যেখানে সকল চিকিৎসকের সাদরে গ্রহন করা উচিত ছিল, সেখানে দেখা গেছে বেশীর ভাগ ডাক্তারই হ্যানিম্যানের এই অমূল্য আবিষ্কারকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। ফলে চিকিৎসা বিজ্ঞান এলোপ্যাথি এবং হোমিওপ্যাথি নামে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, ইউরোপে এবং আমেরিকায় এলোপ্যাথিক ডাক্তাররা প্রথম যখন সমিতি গঠন করেছিল, তখন তাদের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল পৃথিবীর বুক থেকে (একটি মানবতাবাদী চিকিৎসা বিজ্ঞান) হোমিওপ্যাথিকে নিশ্চিহ্ন করা। বাণিজ্যের কাছে সেবাধর্ম কিভাবে পরাজিত হয়, এসব ইতিহাস সবারই জানা থাকা উচিত। মহাত্মা স্যামুয়েল হ্যানিম্যান ১৭৫৫ সালের ১১ই এপ্রিল জার্মানীর স্যাক্সোনি প্রদেশের মেইসেন শহরে জন্মগ্রহন করেন, যার অবস্থান ড্রিসডেন শহরের বিশ মাইল উত্তর-পশ্চিমে (পোল্যান্ড এবং চেকোশ্লোভাকিয়ার বর্ডারের কাছে)। তাঁর পুরো নাম ছিল ক্রিস্টিয়ান ফ্রেডরিক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান (Christian Friedrich Samuel Hahnemann)। তাঁর পিতার নাম ছিল ক্রিস্টিয়ান গটফ্রাইড হ্যানিম্যান এবং মাতার নাম ছিল জোহান্না ক্রিস্টিয়ানা। তৎকালে মেইসেন শহরটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর কেননা ইহার চার হাজার অধিবাসীর অধিকাংশই ছিল দক্ষ শিল্পী, রসায়নবিদ এবং চিত্রকর। তাছাড়া এই শহরে ছিল একটি বিজ্ঞান একাডেমী, অনেকগুলো কাপড়ের কারখানা এবং ছিল তখনকার দিনের নতুন আবিষ্কার চীনা মাটির আসবাপত্রের একটি ফ্যাক্টরী। সিরামিকের এই কারখানাটি ছিল পুরনো পরিত্যক্ত একটি রাজ প্রসাদে অবসি'ত। হ্যানিম্যানের পিতা চীনা মাটির থালা-বাসনের ওপর ছবি এঁকে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সেই সব দিনে সিরামিকের তৈজষপত্রে রঙ এবং স্বর্ণ দিয়ে নক্সা করা এবং ছবি আঁকা ছিল একটি নতুন আবিষ্ককৃত প্রযুক্তি এবং এই কাজে যাদেরকে নিয়োগ দেওয়া হতো তাদেরকে ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করে গোপনীয়তা রক্ষার অঙ্গীকার করানো হতো। হ্যানিম্যানের পিতা ছিলেন একজন সৎ, বিচক্ষণ এবং ধার্মিক ব্যক্তি। ফলে ভালো এবং মন্দ, পাপ এবং পুণ্য, সরলতা এবং কুটিলতা ইত্যাদি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা তিনি বাল্যকালেই হ্যানিম্যানের মনে দৃঢ়ভাবে গেথে দিয়েছিলেন। হ্যানিম্যান ছিলেন তাঁর পিতা-মাতার পাঁচ সনতানের মধ্যে তৃতীয় এবং পুত্রদের মধ্যে সবচেয়ে বড়। শিশুকাল থেকেই তিনি পড়াশুনায় অসাধারণ মেধার পরিচয় দেন বিশেষত ভাষা এবং বিজ্ঞানে। তিনি ইংরেজী, ফরাসী, গ্রিক, ল্যাটিন, সপ্যানিশ এবং আরবী ভাষায় পান্ডিত্য অর্জন করেন। সেকালে ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আরব দেশীয় মুসলিম চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের (ইবনে সীনা, ফারাবী, আল কিন্দি প্রভৃতি) লেখা পুস্তকসমূহ পড়ানো হতো; ফলে কারো পক্ষে সত্যিকারের চিকিৎসক বা চিকিৎসা বিজ্ঞানী হওয়ার জন্য আরবী ভাষা শেখা ব্যতীত কোন উপায় ছিল না। এমনকি মাত্র বারো বছর বয়সে তাঁর ওসতাদের নির্দেশে হ্যানিম্যান তাঁর সহপাঠিদের গ্রীক ভাষা শিক্ষা দিতেন। বলা হয়েছে বিজ্ঞান এবং গবেষণার দিকে তাঁর ঝোঁক ছিল জন্মগত ; একেবারে মজ্জাগত। পাবলিক স্কুলে পড়াকালীন সময়ে মাস্টার মুলার নামক একজন যথার্থ যোগ্য শিক্ষকের স্নেহ লাভে ধন্য হন যিনি তাকে দৈনন্দিন পাঠ মুখসত না করে হজম করার পরামর্শ দিতেন। যোগ্যতা এবং দক্ষতার কারণে তিনি হ্যানিম্যানকে গ্রিক ভাষার ক্লাশ নিতে অনুমতি দিতেন। ফলে সহপাঠিরা হ্যানিম্যানকে ভালোবাসতো। অতিরিক্ত পড়াশোনার কারণে হ্যানিম্যান মাঝেমধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়তেন এবং তখন এই মহান শিক্ষক তাঁর হোমওয়ার্ক, টিউটোরিয়াল ইত্যাদি মাফ করে দিতেন। হ্যানিম্যানের জন্য তাঁর দরজা ছিল সারাক্ষণ খোলা ; যে-কোন সময় তিনি শিক্ষকের সাহায্য লাভ করতে পারতেন। হ্যানিম্যানের পিতা প্রায়ই তাকে স্কুল থেকে ছাড়িয়ে নিতেন, তাড়াতাড়ি আয়-রোজগার করা যায় এমন কোন পেশায় নিযুক্ত করার জন্য। মাস্টার মুলার তাঁর পড়াশোনা অব্যাহত রাখার জন্য বিদ্যালয়ের ফি পযর্ন্ত মওকুফ করে দিয়েছিলেন প্রায় আট বছর এবং নানানভাবে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে-অনুরোধ করে হ্যানিম্যানকে রেখে তাঁর পিতাকে ফেরত পাঠিয়েছিলেন। ১৭৭৫ সালে হ্যানিম্যান পিতার কাছ থেকে কুড়িটি মুদ্রা (thalers) নিয়ে লিপজিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। পিতার হাত থেকে নেওয়া এটাই ছিল তাঁর সর্বশেষ টাকা-পয়সা। এজন্য তাকে দোষ দেওয়া যায় না ; কেননা তার আরো অনেক সন্তানাদি ছিল এবং তার যৎসামান্য আয়-রোজগার দিয়ে সকলের জন্য শিক্ষাদীক্ষার ব্যবস্থা করতে হয়েছে। ১৭৭৫ সালে তিনি লিপজিগ ইউনিভার্সিটিতে চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুষদে ভর্তি হন। কিন্তু সেখানকার অপ্রতুল সুযোগ-সুবিধার কারণে তিনি হতাশ হয়ে পড়েন ; কেননা সেই ডিপার্টমেন্টের অধীনে না ছিল কোন ক্লিনিক, না ছিল কোন হাসপাতাল। সেখানে অধ্যয়নরত অবস্থায় নিজের জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি অর্থের বিনিময়ে ইংরেজী থেকে জার্মানীতে পুস্তক অনুবাদের খন্ডকালীন কাজ হাতে নেন এবং একজন ধনী গ্রীক ব্যক্তিকে ফরাসী ভাষা শেখাতেন। ফলে অন্যান্য ছাত্রদের সাথে সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারতেন না। ১৭৭৭ সালের প্রথমার্ধে চিকিৎসা বিজ্ঞানে উচ্চতর জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যে এবং বাসতব অভিজ্ঞতা লাভের নিমিত্তে তিনি ভিয়েনা গমণ করেন।